×
সদ্য প্রাপ্ত:
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি, বাংলাদেশের পাল্টা শুল্ক কমে ১৯ শতাংশ ভোট ঘিরে আজ মাঠে নামছেন ৬৫৫ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট স্ত্রীকে দেখতে এসে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা হামলার শিকার, বাড়িতে অগ্নিসংযোগ যুক্তরাজ্য ভ্রমণে পাসপোর্টে ভিসা স্টিকারের বদলে ই‌-‌ভিসা খামেনির অত্যন্ত চিন্তিত হওয়া উচিত, হুমকির সুরে বললেন ট্রাম্প বন্দর পরিস্থিতি নিয়ে জরুরি সভায় বসছে কর্তৃপক্ষ তারেক রহমানকে বাংলাদেশের আগামী প্রধানমন্ত্রী বলছে ‘দ্য ডিপ্লোম্যাট’ এপস্টিন কাণ্ড : কংগ্রেসে সাক্ষ্য দিতে রাজি বিল ও হিলারি ক্লিনটন এটাই আমার শেষ নির্বাচন : মির্জা ফখরুল দেশে ৪.১ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত
  • প্রকাশিত : ২০২৬-০২-১০
  • ১ বার পঠিত

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ‘এগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোক্যাল ট্রেড (এআরটি)’ স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ চুক্তির ফলে বাংলাদেশের ওপর আরোপিত পাল্টা শুল্ক (রেসিপ্রোক্যাল ট্যারিফ) ১ শতাংশ কমিয়ে ১৯ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে বাংলাদেশি পণ্যে যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কহার ছিল ১৫ শতাংশ। সব মিলিয়ে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর কার্যকর শুল্কহার দাঁড়াল ৩৪ শতাংশ। তবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা তুলা ও কৃত্রিম তন্তু ব্যবহার করে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে পাল্টা শুল্ক শূন্য করা হয়েছে বলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ভার্চুয়ালি এ চুক্তি সই হয়। বাংলাদেশের পক্ষে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে দেশটির বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।চুক্তি সই অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি অংশ নেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিকবিষয়ক বিশেষ সহকারী লুৎফে সিদ্দিকী, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমান এবং সহকারী মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডান লিঞ্চ।

মূল স্বাক্ষর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে। এ উপলক্ষে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডব্লিউটিও) অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব খাদিজা নাজনীনের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি বাণিজ্য আলোচক দল বর্তমানে ওয়াশিংটনে অবস্থান করছে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার আলোচনায় সামগ্রিক নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের ভূয়সী প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশের আলোচক দলের ‘অবিশ্বাস্য প্রচেষ্টার’ প্রশংসা করেন।

গ্রিয়ার বলেন, এই চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যনীতির সঙ্গে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও সুসংহত করবে।

চুক্তি স্বাক্ষরের পর বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, ‘এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক এক নতুন ঐতিহাসিক স্তরে উন্নীত হলো। এর ফলে উভয় দেশ একে অপরের বাজারে বাড়তি প্রবেশাধিকার পাবে।’

জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান বলেন, ‘পারস্পরিক শুল্ক হ্রাস বাংলাদেশের রপ্তানিকারকদের জন্য অতিরিক্ত সুবিধা সৃষ্টি করবে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের কাঁচামাল ব্যবহার করে উৎপাদিত নির্দিষ্ট টেক্সটাইল ও পোশাক পণ্যে শূন্য শুল্ক সুবিধা পোশাক খাতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।’

চুক্তিটি সোমবার উপদেষ্টা পরিষদের অনুমোদন পেয়েছে। উভয় পক্ষ আনুষ্ঠানিক নোটিফিকেশন জারি করলে এটি কার্যকর হবে।

তবে চুক্তির শর্তাবলি সম্পর্কে বিস্তারিত এখনো প্রকাশ করা হয়নি। এ বিষয়ে আগে থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি নন-ডিসক্লোজার অ্যাগ্রিমেন্ট (এনডিএ) সই করেছে বাংলাদেশ, যার ফলে শর্তাবলি গোপন রাখা হয়েছে।

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত বছরের ২ এপ্রিল বাংলাদেশসহ ১০০ দেশের ওপর পাল্টা শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন। সে সময় বাংলাদেশের জন্য শুল্কহার নির্ধারণ করা হয়েছিল ৩৭ শতাংশ। পরবর্তী আলোচনার মাধ্যমে তা কমিয়ে প্রথমে ৩৫ শতাংশ এবং পরে ২০ শতাংশ করা হয়। সর্বশেষ চূড়ান্ত চুক্তি

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat