আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে আজ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) থেকে মাঠে নামছেন ৬৫৫ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট। নির্বাচনী অপরাধসমূহ সশরীরে আমলে নিয়ে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে (সামারি ট্রায়াল) বিচারের লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন (ইসি) তাদের নিয়োগ দিয়েছে।
ইসি সচিবালয়ের উপসচিব (আইন) মোহাম্মদ দিদার হোসাইন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, নিয়োগপ্রাপ্ত বিচারকরা আজ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট ৫ দিন দায়িত্ব পালন করবেন। অর্থাৎ ভোটগ্রহণের আগের দুই দিন, ভোটের দিন এবং পরের দুই দিন তাঁরা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতাবলে মাঠপর্যায়ে আইনি তদারকি করবেন।
বিচারিক এখতিয়ার ও ক্ষমতা
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, জুডিশিয়াল সার্ভিসের এই কর্মকর্তারা মূলত ‘দ্য রিপ্রেজেন্টেশন অব দ্য পিপল অর্ডার, ১৯৭২’-এর ক্ষমতাবলে দায়িত্ব পালন করবেন। তাঁরা ভোটদানে বাধা প্রদান, কেন্দ্র দখল, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিসহ বিভিন্ন তফশিলি অপরাধের ক্ষেত্রে ‘দ্য কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর, ১৮৯৮’ অনুযায়ী তাৎক্ষণিক বিচার কার্য পরিচালনা করতে পারবেন।ম্যাজিস্ট্রেটদের প্রতি ইসির নির্দেশনা
নির্বাচন কমিশন থেকে দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেটদের জন্য সুনির্দিষ্ট কিছু নির্দেশনা জারি করা হয়েছে :
তফসিল অনুযায়ী, দেশের ৩০০টি নির্বাচনী এলাকার জন্য এই ৬৫৫ জন বিচারককে সুনির্দিষ্ট অধিক্ষেত্রে ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। পঞ্চগড়-১ আসন থেকে শুরু করে বান্দরবান পর্যন্ত প্রতিটি সংসদীয় আসনে এক বা একাধিক জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নির্বাচনী আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সরাসরি নিয়োজিত থাকবেন।
উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার দেশের ২৯৯টি আসনে (শেরপুর-৩ স্থগিত) একযোগে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।