শফিকুর রহমান আরও বলেন, “রমজানের শিক্ষা মানুষকে সংযম, সহমর্মিতা, ন্যায়বোধ ও মানবকল্যাণের দিকে আহ্বান জানায়। এই মূল্যবোধ ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ধারণ করা গেলে একটি শান্তিপূর্ণ, ন্যায়ভিত্তিক ও কল্যাণমুখী সমাজ প্রতিষ্ঠা সম্ভব।” তিনি দেশ, জাতি, মুসলিম উম্মাহ এবং বিশ্ব মানবতার শান্তি, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।অনুষ্ঠান পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হয়। দেশ-বিদেশের গণ্যমান্য কূটনীতিক, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিরা এতে অংশ নেন। উপস্থিত কূটনীতিকদের মধ্যে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র, চীন, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, ফিলিস্তিন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, কানাডা, ভারত, তুরস্ক, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, পাকিস্তান, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ভ্যাটিকান সিটি, ইরান, ব্রুনাই দারুসসালাম, মালদ্বীপ, আলজেরিয়া, কসোভো, মিসর, ভিয়েতনাম, মিয়ানমার, ইন্দোনেশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, নরওয়ে, নেপাল, ফিলিপাইন, নেদারল্যান্ডস, ভুটান, শ্রীলঙ্কা, ব্রাজিল, সুইজারল্যান্ড ও দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত। এছাড়া ইউএনডিপি, ইউএনএইচসিআর, ইউনিসেফ, ইউএনওডিসি, ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল, আইওএমসহ অন্যান্য বিদেশি সংস্থার প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।
জামায়াত নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এ টি এম মাছুম, অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল, মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল, মোহাম্মদ সেলিম উদ্দীন, আবদুর রব, ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য জাহিদুর রহমান ও অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির প্রমুখ